ফুলেল সংবর্ধনায় সিক্ত চৈতী-শহিদুল্লাহ
চৈতী রানী দুটি সোনার পদক গলায় এবং শহিদুল্লাহ একটি করে স্বর্ণ ও ব্রোঞ্জপদক গলায় নিয়ে ভিভিআইপি গেট দিয়ে বের হন। ব্রোঞ্জের পদক গলায় ছিল হুইলচেয়ার বাস্কেটবলের মেয়েদের।
তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরন করে নেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা ও উপমহাসচিব এমএ কুদ্দুস খান। দুবাইয়ে ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশের ইতিহাসে দুর্দান্ত এই সাফল্যে নড়েচড়ে বসেছে বিওএ ও এনএসসি।
বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান জানান, এই অর্জনকে নিয়মিত সাফল্য বানিয়ে নিতে, আরো দায়িত্বশীল পরিকল্পনা হাতে নিতে চান তারা। তার কথা, ‘তাদের এই অসাধারণ অর্জন দৃঢ় মনোবল, অধ্যবসায় ও অনন্য ক্রীড়া দক্ষতার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। চৈতি ও শহীদুল্লাহর সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত মাইলফলক নয়, এটি বাংলাদেশের প্যারা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন, যা দেশের সকল প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদের সম্ভাবনার উজ্জ্বল প্রতীক।’
এশিয়ান ইয়ুথ প্যারা গেমসে জ্যাভলিন থ্রো ও একশো মিটার দৌড়ে স্বর্ণ জেতেন চৈতি রাণী, সুইমিংয়ে ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইলে স্বর্ণ ও ১০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে ব্রোঞ্জ জেতেন শহীদুল্লাহ। দলগত ইভেন্ট হুইলচেয়ার বাস্কেটবলে ব্রোঞ্জ জেতে বাংলাদেশ।
এ সময় ন্যাশনাল প্যারলিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশের মহাসচিব ড. মারুফ আহমেদ মৃদুল ও যুগ্ম মহাসচিব সানোয়ার হোসেন দলের সঙ্গে ছিলেন।